কৈবল্যধামের মোহান্ত পরম্পরা

 

শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এর প্রথম মোহান্তঃ
শ্রীমৎ হঁরিপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৩০ – ১৯৩৫)

Srimad Haripadaপাহাড়তলী, চট্টগ্রামে শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রম প্রতিষ্ঠার পূর্বেই শ্রীশ্রীঠাকুর শ্রীমৎ হঁরিপদ বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রথম মোহান্ত রূপে মনোনীত করেন। তিনি ১৮৭২ সালে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহর নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন।

পেশাগত জীবনে তিনি ভারতের আসামে লিডু নামক স্থানে অবস্থান করেছিলেন, যেখানে তিনি শ্রীশ্রী ঠাকুরের স্বান্নিধ্যে আসেন এবং শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে দীক্ষাগ্রহণ করেছিলেন।

ঊনার সঙ্গীতে প্রচন্ড আকর্ষণ ছিল এবং তিনি নিজেও একজন ভালো গায়ক ছিলেন। তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীর বিয়োগের পর, তিনি তাঁর চাকুরী থেকে ইস্তফা দিয়ে সম্পুর্ন্ন ভাবে নিজেকে বদলে ফেলেন এবং আসামের “থীয়সফিকাল সোসাইটি” নামক সামাজিক একটি সংগঠনের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন।

শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রম প্রতিষ্ঠার দিনে বাংলা ১৩৩৭ সনে শ্রাবন মাসে, ইংরেজী ১৯৩০ সালের ২৬শে জুলাই তারিখে তিনি মোহান্ত হিসাবে যোগ দেন। “কৈবল্য স্তোত্রম” সহ অনেক শ্রুতিমধুর গানের রূপকার তিনি স্বয়ং নিজেই। শ্রীশ্রী ঠাকুর ঊনাকে নতুন ভক্তমন্ডলী বৃদ্ধি করার দায়িত্ব দিলেন, কিন্তু তিনি অত্যন্ত বিনীতভাবে তা নিতে অস্বীকার করেছিলেন।

চৈত্র মাসের এক সুপ্রসন্ন দিনে (১৩৪১ ব.স. – ইংরেজী ১৯৩৫) দোল পূর্নিমার সময় দোল উত্সবে যোগ দিতে তিনি ফেনী গমন করেন। শ্রীশ্রী ঠাকুরের উপস্থিতিতে তিনি তার নশ্বর দেহ ত্যাগ করেন। ফেনীর দাদপুর নামক স্থানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।

সেই দিন থেকেই শ্রীশ্রীঠাকুর শ্রীমৎ শ্যাঁমাচরণ চট্টোপাধ্যায় কে শ্রীশ্রী কৈবল্যধামের পরবর্তী মোহান্ত রূপে ঘোষণা করেন। শ্রীশ্রী হরগৌরী মন্দিরটি শ্রীমৎ হঁরিপদ বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মান করা হয়।


 

শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এর দ্বিতীয় মোহান্তঃ
শ্রীমৎ শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৫ – ১৯৬০)

Srimad Shyamacharanপ্রথম মোহান্তের ইহলোক ত্যাগের পর শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দেশে ১৩৪১ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসে শ্রীশ্রী কৈবল্যধামের দ্বিতীয় মোহান্ত হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন শ্রীমৎ শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায়।

শ্রী অবনীচরণ চট্টোপাধ্যায় ও শ্রীমতী ষোড়শীবালা দেবীর সন্তান শ্রীমৎ চট্টোপাধ্যায় বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত কোয়ারপুরে জন্মগ্রহণ করেন ১২৭৯ বঙ্গাব্দের কার্ত্তিক মাসে। শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁকে নাম দেন ডিঙ্গামানিকে। শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁকে ভক্তদের নাম দানের অধিকার দেন। ১৩৪৬ বঙ্গাব্দের ১৩ই ফাল্গুন (২৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৪২) যাদবপুরের শ্রীশ্রী কৈবল্যধামের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শ্রীমৎ শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায় শ্রীশ্রীঠাকুরের পূর্ণ পাদুকাযুগল অর্চনা করেছিলেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের পবিত্র এই পাদুকা দুটি আজও নিয়মিত পূজিত হয় যাদবপুর শ্রীশ্রী কৈবল্যধামে।

শ্রীমৎ শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায় শ্রীশ্রীঠাকুরের জন্মভূমি বাংলাদেশের ডিঙ্গামানিকে ‘শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণ সেবামন্দির’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

১৩৫৬ বঙ্গাব্দের ১৮ই বৈশাখ (১লা মে ১৯৪৯) শ্রীশ্রীঠাকুর দেহরক্ষা করলে চৌমুহনীতে তাঁর দেহাবশেষ সমাহিত হয় শ্রীমৎ শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এবং তাঁর পরিচালনায় সেখানে নির্মিত হয় ‘সমাধিমন্দির’ নামে সুন্দর একটি দেবদেউল।

ডিঙ্গামানিক ও চৌমুহনীর দুটি ধাম ও মন্দিরে প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজের উদ্যোগ নিয়েছিলেন শ্রীমৎ শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায়। ভারতবর্ষ ও অধুনা বাংলাদেশের বহু স্থানে ভ্রমণ করে তিনি বহু ভক্তকে দীক্ষাদান করেছিলেন, নানা ধরণের পবিত্র উৎসবের আয়োজন করেছিলেন। জীবনের শেষ কয়েক বছরে দুর্বল স্বাস্থ্য সত্ত্বেও তিনি তাঁর নিত্যকার কর্মধারারও কোনও পরিবর্তন করেননি।

‘গুরুচক্র’ ও ‘ভগ্নী-সন্মেলন’ এর নামকরণ তিনি নিজে করেন। পশু, পাখি ও গাছপালার প্রতি তাঁর গভীর ভক্তি ও ভালবাসা ছিল। ‘গোমাতা’ উৎসব (গরুকে মাতৃজ্ঞানে পূজা করা) তিনি প্রর্বতন করেছিলেন। মোহান্ত থাকাকালীন, পাহাড়তলী শ্রীশ্রী কৈবল্যধামে কামধেনুমাতা ও ময়নাপাখির আবাসস্থল হয় এবং পরে তাদের মৃত্যুর পর সমাধিতে স্বতন্ত্র স্মৃতি ফলক স্থাপন করা হয়। ১৯৬০ সালেই ২ রা মার্চ সরস্বতী পূজা শেষ করার পর তিনি কৈবল্যলোকে যাত্রা করেন। শ্রীশ্রী কৈবল্যধামে তাঁর মরদেহ সমাহিত করা হয় এবং সেখানে নির্মাণ করা হয় একটি স্মৃতিস্তম্ভ।


 

শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এর তৃতীয় মোহান্তঃ
শ্রীমৎ ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৬০ – ১৯৭১)

Srimad Bajendra১৯৬০ সালে, দ্বিতীয় মোহান্ত মহারাজের মহাপ্রয়াণের পর শ্রীমৎ ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রীশ্রী কৈবল্যধামের তৃতীয় মোহান্ত মহারাজের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি ১২৯৬ বঙ্গাব্দে ঢাকা জেলার বিক্রমপুর নামক স্থানে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

পেশায় একজন ডাক্তার থাকা সত্ত্বেও তিনি আশ্রমের বিভিন্ন ভক্তিমূলক কাজের সাথে নিজেকে ওতপ্রোতভাবে নিয়োজিত করেন। নাম গ্রহণ করেছিলেন শ্রীমৎ শ্যামাচরণ চট্ট্যোপাধ্যায় কাছে। শ্রীমৎ শ্যাঁমাচরণ চট্টোপাধ্যায় থেকে তিনি অনুপ্রাণিত হয়ে ঊনার অসমাপ্ত কাজের দায়িত্ব তিনি নিজে গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আসন্ন বিপদ জেনেও তিনি এই আশ্রম ছেড়ে যান নাই। কারণ এই আশ্রম কে তিনি তাঁর প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন। যার ফলে ১৯৭১ সালের ২৯শে মার্চ পৈশাচিক, বর্বর পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে তাঁর নিজের জীবন আত্মাহুতি দেন। শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রমের দ্বিতীয় মোহান্ত মহারাজের সমাধির পাশেই ঊনাকে সমাহিত করা হয় এবং সেখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মান করা হয়।

 


 

শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এর চতুর্থ মোহান্তঃ
শ্রীমৎ ভবতোষ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৭২ – ২০০০)

Srimad Vabotosh১৯৭১ সালে ২৯ শে মার্চ, শ্রীশ্রী কৈবল্যধামের তৃতীয় মোহান্ত মহারাজের পাশবিক এবং বর্বর হত্যাকান্ডের পর, শ্রীমৎ ভবতোষ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৭২ সালে চতুর্থ মোহান্ত মহারাজের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

শ্রীআশুতোষ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্রীমতী লাবণ্যপ্রভার সন্তান শ্রীমৎ ভবতোষ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা ১৩২৫ সনে (ইংরেজী ১৬ই নভেম্বর ১৯১৮ সাল) ঢাকা জেলার বিক্রমপুর নামক স্থানে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার মাস্টার’স শেষ করার পর তিনি একজন গেজেটেড অফিসার হিসেবে সরকারী চাকরিতে যোগদান করেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে তার কর্তব্য শেষ করার পর চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে তিনি নামগ্রহণ করেছিলেন।

শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রমের মোহান্ত মহারাজ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের সাথে সাথে তিনি আশ্রমের সংস্কারের বিভিন্ন উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেন, কারণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্বর-হায়েনা পাকিস্তানিরা শুধু আশ্রমের মোহান্ত মহারাজ কে হত্যা করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, তারা আশ্রমটিকেও সম্পূর্ন ধ্বংস করে যায়। শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রম যাদবপুর, কলকাতার দাতব্য চিকিত্সালয় এর উন্নতিকরণ ঊনার মাধ্যমে সূচিত হয়। তাঁর পূর্বসুরীদের মত, তিনি নিবেদিতপ্রাণ ভক্তমণ্ডলী দের দীক্ষা জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন। ঊনার সময়কালে শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রম একটি গৌরবময় স্থান হিসাবে পরিচিত হয়। জীবনের শেষ কয়েক বছর তিনি যাদবপুর কৈবল্যধামে কাটিয়েছেন। ২০০০ সালের মে মাসের ১৩ তারিখে তিনি কৈবল্যলোকে গমন করেন। যাদবপুর শ্রীশ্রী কৈবল্যধামে ঊনাকে সমাহিত করা হয় এবং সেখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মান করা হয়। তাঁর চিতাভস্ম এনে পাহাড়তলী কৈবল্যধাম আশ্রমে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মান করা হয়।


 

শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এর পঞ্চম মোহান্তঃ
শ্রীমৎ বিমলেন্দু বিকাশ রায়চৌধুরী (২০০১ – ২০০৫)

Srimad Bimolendu২০০১ সালের ৯ই ডিসেম্বর তারিখে পঞ্চম মোহান্ত মহারাজ হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শ্রীমৎ বিমলেন্দু বিকাশ রায়চৌধুরী। চাঁদপুর জেলার বাকিলা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ পরিবারে ১৯৩৫ সালের ১লা নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

ঊনার পিতৃদেব সর্গ্বীয় রাজেন্দ্রলাল রায় চৌধুরী বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের নামকরা প্রধান শিক্ষক ছিলেন। এই স্কুলটির প্রতিষ্ঠা ছিলেন তার পিতামহ জমিদার প্যারিকৃষ্ণ রায় চৌধুরী।

১৯৬২ সালে আইনে স্নাতক ডিগ্রী নেওয়ার পরে আইনজীবি হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন, এর পূর্বে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ঊনাকে ১৯৮১ সালে INTERNATIONAL AND COMPARATIVE LAW CENTRE, DALLAS, USA থেকে বিশেষ সন্মাননা প্রদান করা হয়।

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন বিচারক হিসাবে মনোনিত হন। মাঝে মধ্যে প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতে তিনি প্রধান বিচারপতির ভূমিকা পালন করতেন। অবসরের পর ২০০০ সালের জানুয়ারীর ১১ তারিখে তিনি বাংলাদেশ আইন কমিশনের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হন এবং তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এর একজন উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ঢাকা ভিত্তিক ব্রহ্মা সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট এর আজীবন সদস্য এবং তিনি অনেক অন্যান্য ধর্মীয় ও কল্যাণ সংস্থা এবং তাদের কার্যক্রমের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রমের উন্নয়নমূলক ও কল্যাণকর অনেক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। যাদবপুর কৈবল্যধামে সমাজের দরিদ্র মানুষের শিক্ষা ও চিকিত্সার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করার নিমিত্তে একটি নতুন প্রোগ্রাম চালু করেন এছাড়াও ২০০৩ সালের ৯ই ডিসেম্বর তারিখে শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম, যাদবপুরে ধর্মীয় বই এর একটি লাইব্রেরি চালু করেন। ২০০৫ সালের ১০ই এপ্রিল ঊনার পার্থিব জীবনের উপর পর্দা নেমে এলে নশ্বর শরীর শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রম, পাহাড়তলীতে সমাহিত করা হয় এবং সেখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মান করা হয়।


 

শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এর ষষ্ঠ মোহান্তঃ
শ্রীমৎ অশোককুমার চট্টোপাধ্যায় (বর্তমান মোহান্ত)

Srimad Ashokeশ্রীশ্রী কৈবল্যধামের পঞ্চম মোহান্তের জীবনাবসানের পর শ্রীমৎ অশোককুমার চট্টোপাধ্যায় ৩১শে শ্রাবন ১৪১২ বঙ্গাব্দ সনে, ইংরেজী ২০০৫ সালের ১৬ই আগস্ট মাসে ষষ্ঠ মোহান্ত মহারাজ হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

শ্রীঅতুলচন্দ্র ও শ্রীমতী অমিয়বালার সন্তান শ্রীমৎ অশোককুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার অন্তর্গত বানিয়াগতি গ্রামে ১৯৪৫ সালের ২রা জানুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন।

ইংরেজিতে এম.এ. পাশ করে তিনি ইংরেজী সাহিত্যের অধ্যাপক হিসাবে অধ্যাপনা করেন বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে এবং শেরপুর সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

শ্রীমৎ অশোককুমার চট্টোপাধ্যায়কে নামদান করেছিলেন শ্রীশ্রী কৈবল্যধামের চতুর্থ মোহান্ত শ্রীমৎ ভবতোষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশ্রমের বিভিন্ন সেবামূলক উন্নয়ন কর্মকান্ডের পাশাপাশি ওয়েবসাইট টি তাঁর সার্বিক তত্ত্বাবধানে তৈরী করা হয়।

তাঁর অনুপ্রেরণা ও আশীর্বাদে শ্রীশ্রীঠাকুর এবং শ্রদ্ধেয় মহারাজবৃন্দের দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য চিত্র সংকলিত অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। ইতিমধ্যে দু-দেশের শ্রীশ্রী রামঠাকুরের বিভিন্ন মন্দির প্রতিষ্ঠানসহ ধামে কৈবল্যপ্রাপ্তির সহজ উপায় “শ্রীনাম” ভক্তদের মাঝে বিতরণ করে চলেছেন।